Tuesday, March 10
Shadow

Tag: ধ্রুব নীল

ধ্রুব নীলের ১৪টি প্রেমের অণুকাব্য

ধ্রুব নীলের ১৪টি প্রেমের অণুকাব্য

কবিতা
প্রেমাণুকাব্য-১ যামিনী নিরব হলে তুমি একা একা কেঁদো না পাশে তার স্মৃতিটুকু হয়ে থাক মধুর বেদনা। প্রেমাণুকাব্য-২ বহু যুগ অপেক্ষার পর যেমন আর গন্তব্য থাকে না বহুকাল তারে ভালোবাসার পর পেয়েছি কি পাই নাই এসব আর মানে রাখে না। প্রেমাণুকাব্য-৩ তোমার দৃষ্টি এড়িয়ে যায় যে পথ তাতেই আমার বাস প্রেমিক হতে গিয়ে শেষে হয়ে যাই তোমার চেপে রাখা শ্বাস প্রেমাণুকাব্য-৪ বাগানের ফুল বলে না কখনো কাঁটার ব্যথা তার বুকে নীরবে তাকিয়ে একবার না হয় কিছু ব্যথা নাও শুঁকে। প্রেমাণুকাব্য-৫ চিঠি লিখব তাকে বলে কয়ে রেখেছি কাগজওয়ালাকে কলমের ফেরিওয়ালা কথা দিয়েছে আসবে ভাতঘুমের পরে। হায় নীল, ভুলে বসে আছো পোস্ট অফিসের ঠিকানাটাই। প্রেমাণুকাব্য-৬ তোমার আধবোঁজা চোখের সামনে প্রেম নিবেদন যেন আগাগোড়া ভাঁড়ামি। তোম...
রহস্যজট: পরিচয়

রহস্যজট: পরিচয়

থ্রিলার গল্প
ধ্রুব নীল এটি জনপ্রিয় লেখক ধ্রুব নীলের লেখা একটি রহস্যজট ধাঁধা। দৈনিক কালের কণ্ঠের মগজ ধোলাই ম্যাগাজিনে নিয়মিত ধ্রুব নীলের রহস্যজট ছাপা হতো। প্রথমে একটি গল্প থাকবে, সেই গল্পের ভেতর থাকবে সূত্র। শেষে পাঠককেই সেই সূত্র বের করে সমাধান করতে হবে ধাঁধার। আপাতত গল্পের একদম শেষে দেওয়া আছে উত্তর। আগে চেষ্টা করুন। না পারলে স্ক্রল করুন। নিয়মিত রহস্যজট ও গল্প পেতে ওয়েবগল্প সাইটটি সাবসক্রাইব করে রাখুন। দেয়ালে স্ট্যাচুর মতো ঝুলতে থাকা পেটমোটা টিকটিকিটা দেখে যুবকের মনে হলো তার নাম আরশাদ নয়, অন্য কিছু। কিন্তু আরশাদ নামটা মাথায় আসলো কেন বুঝতে পারছে না। ভোঁতা একটা ব্যথা মাথায় ছড়িয়ে আছে। সাদা বিছানায় সে একা। বিছানাটা এত সরু যে আর কারোর থাকাও সম্ভব না। বিছানা ছেড়ে উঠে বসতে গিয়ে বুঝতে পারলো এটা হাসপাতাল। তা না হলে শরীর এত দুর্বল লাগবে কেন? মুখভর্তি দাঁড়ি। এত বড় দাঁড়ি তার কখনই থ...
ছোটদের মজার গল্প : আমার আবার কিছু মনে থাকে না

ছোটদের মজার গল্প : আমার আবার কিছু মনে থাকে না

কিশোর গল্প
কিশোরদের জন্য লেখা ধ্রুব নীলের মজার বাংল গল্পটি প্রথম প্রকাশ হয় কালের কণ্ঠ পত্রিকার শিশুদের পাতা টুনটুন টিনটিন-এ। বণিকবাবু মাস্টারি থেকে অবসর নিয়েছেন বছর দুই হলো। এরপরও ভুল করে মাঝেসাঝে আনন্দপুর পাইলট হাইস্কুলে ঢুকে পড়েন ক্লাস নিতে। অন্য শিক্ষকরা ব্যাপারটা হালকাভাবে নিয়েছেন। ছাত্ররাও তার ক্লাস মনযোগ দিয়ে করে। ক্লাসের ফাঁকে যখন বণিক বিশ্বাসের মনে পড়ে ঘটনা, তখন চুপ হয়ে যান। কাষ্ঠ হাসি টেনে বলেন, তোরা কিছু মনে করিস না, আমার আবার কিছু মনে থাকে না।আজ সকালে বাজারের ব্যাগ হাতে বের হয়েছিলেন। তার মনে হলো একটা বড় দেখে মিষ্টি কুমড়া কেনা দরকার। বাজার ভুলে চলে এলেন স্কুলে। বন্ধ ফটক দেখেই জিব কেটে বললেন, আজ তো সরকারি ছুটি!স্কুল থেকে বের হয়ে বণিক বাবু গেলেন মিতালী স্টোরে। এখানে ঢুকলেই তার বড় মেয়ে নীলিমার কথা মনে পড়ে। নীলিমা ছোট থাকতে তাকে নিয়ে এই দোকানে এসে খেলনা টেলনা কিনতেন। নীলিমার বিয়ে হয়ে...
চাঁদ গেল কই!

চাঁদ গেল কই!

কিশোর গল্প
শিশুদের জন্য ছন্দে ছন্দে লেখা মজার গল্প। লেখক: ধ্রুব নীল মহাবিজ্ঞানী কর্কট চৌধুরীর মাথায় নেই একটা চুলও। রাগে নিজের চুল ছিঁড়তে না পারায় ছিঁড়ছেন বালিশের তুলো। তার অ্যাসিস্ট্যান্ট গবুচন্দ্রের মাথাভর্তি কোঁকড়া চুল। সে একটু দূরে দাঁড়িয়ে আছে। বিজ্ঞানী যদি আবার তার চুলে টান দেন ভুল করে। ‘স্যার, বিপদের কথা শুনেছেন নিশ্চয়ই। আপনি ছাড়া…।’‘একদম চুপ! তোমার কি ধারণা আমি একটা ভেড়া?’‘না স্যার, বলছিলাম, সামনে ঈদ। এমন সময় চাঁদ না দেখা গেলে কেউ মানবে না আপনি মহাকাশবিদ।’‘বটে! বটে! নাসার চোখ কি কপালে ছিল রাখা? চাঁদের কি গজিয়েছে পাখা? দুম হয়ে গায়েব হয়ে গেলো? গবুচন্দ্র, তোমাকেই বলছি! হ্যালো!’‘অ্যাঁ, স্যার! আমি কী করে বলি। আমি না হয় চলি। আপনিই কথা বলুন বিজ্ঞান কাউন্সিলের সঙ্গে।’গতকাল থেকে চাঁদের দেখা নেই। নেই মানে গায়েব। টেলিস্কোপে আঁতিপাতি করে খুঁজেও মিলছে না দেখা। পত্র-পত্রিকায় হচ্ছে বিস্তর লেখা। আস্...
ডিমেনশিয়া

ডিমেনশিয়া

জাদু-বাস্তবতা
ধ্রুব নীল-এর ‘ডিমেনশিয়া’ গল্পটি মূলত মানুষের অস্তিত্বের সংকট, স্মৃতির বিভ্রান্তি এবং আত্মপরিচয়ের এক মনস্তাত্ত্বিক আখ্যান। ‘ডিমেনশিয়া’ গল্পটি আবুল কাশেম নামের এক রহস্যময় বৃদ্ধকে কেন্দ্র করে আবর্তিত হয়, যাকে আমরা একটি চায়ের দোকানে প্রথম দেখি। তার পরনে ময়লা পাঞ্জাবী, ছেঁড়া লুঙ্গি এবং কাঁধে ঝোলানো একটি রহস্যময় কাঠের বাক্স। গল্পটি স্মৃতির অলিগলি এবং মানুষের চেনা-অচেনার দ্বন্দ্বকে ফুটিয়ে তুলেছে। ধ্রুব নীল দোকানদার যখন চায়ের কাপ এগিয়ে ধরে বলে ‘কাশেম ভাই চা লন’ তখন দুটো বিষয় আমাদের সামনে উপস্থিত হয়। প্রথম বিষয়, স্থির চোখের অবিরাম বিড় বিড় করতে থাকা লোকটার নাম সত্যিই আবুল কাশেম কিনা। দ্বিতীয়ত, লোকটার আধপাকা চুল দাড়ি, ময়লা পাঞ্জাবী আর কয়েক জায়গায় সামান্য ছেঁড়া লুঙ্গিটা দেখে হয়তো দোকানদার মনে করেছে এই লোকের নাম কাশেমই হবে, আর কাশেম হওয়ার কারণে নামের প্রথমভাগে আবুল জ...
সায়েন্স ফিকশন গল্প : পিন্টু

সায়েন্স ফিকশন গল্প : পিন্টু

কিশোর গল্প, সায়েন্স ফিকশন
ধ্রুব নীল ‘স্যারের মেজাজ আজ কড়া। আপনি আরেকদিন আসুন। অনুগ্রহ করে আপনার পরবর্তী আসার দিন আমাকে বলুন। আমার নোট সিস্টেমে সব রেকর্ড থাকবে।’ আধুনিক ফ্ল্যাটের বড় ড্রয়িং রুমে আসবাব তেমন নেই। হালকা শব্দে ঘরময় ধীরলয়ে উচ্চাঙ্গ সঙ্গীত বাজছে। সাউন্ডবক্স দেখা যাচ্ছে না। মনে হচ্ছে পুরো ড্রয়িং রুমটাই গান গাচ্ছে। মিলির বসে থাকতে বরং ভালই লাগছে। পিএইচডির খসড়া পেপারটায় এই ফাঁকে আরেকবার চোখ বুলিয়ে নিতে পারবে। সামনে সটান বসে থাকা বক্তার দিকে না তাকিয়েই বলল, ‘স্যার আসুক। আমি না হয় অপেক্ষা করি।’ ‘ঠিকাছে, আপনি অপেক্ষা করুন। আমি কি আপনার জন্য আরেক কাপ কফি আনবো? তাহলে চিনির পরিমাণ বলুন। আপনি কি ব্ল্যাক কফি খাবেন?’ রোবটিক কথা শুনে অবাক হলো না মিলি। কারণ তার সঙ্গে যে কথা বলছে সে একটা রোবট। প্রফেসর শশাঙ্ক ভট্টাচার্যের ব্যক্তিগত সহকারী রোবট পিন্টু। এমন সুন্দর বাসায় বসে পিএইচডির পেপারে চোখ বুল...
বইমেলায় তিনি

বইমেলায় তিনি

অতিপ্রাকৃত গল্প, কিশোর গল্প, জাদু-বাস্তবতা
ধ্রুব নীল ‘শোন পলাশ! তাকেই দেখেছি। সন্দেহ নাই! দেখ গায়ের লোম খাড়া হয়ে গেছে!’ ‘ভূত দেখলে লোম খাড়া হবে এমন কথা নাই।’ তুষার আমার কথার জবাব দিল না। তাকে দেখেও মনে হচ্ছে না সে আসলে ভূত দেখেছে। ভূত দেখতে পারার মধ্যে একটা কৃতিত্ব আছে। কিন্তু সে কৃতিত্বটা ঠিকমতো নিতে পারছে না। সত্যি সত্যি ভূত দেখলে নির্ঘাৎ চেঁচামেচি করত, না হয় ফিট হয়ে যেত। তুষারের কিছুই হয়নি। চেহারা দেখে মনে হচ্ছে সে বইমেলায় আসেনি, মিরপুরের জ্যামে আটকে আছে। ‘হুবহু তিনি। কোনো সন্দেহ নাই। পুবপাশে একটা স্টলের কোণায় কুঁজো হয়ে পায়চারি করছিলেন। একটা ঘিয়া রঙের চাদর। চেহারা দেখলাম হাসিখুশি।’ তুষার যাকে দেখেছে তার নাম শুনে প্রথমে আমি অট্টহাসি দেওয়ার চেষ্টা করেছিলাম। কিন্তু যাত্রাপালা ছাড়া আজকাল কেউ অট্টহাসি দেয় না। তুষারের হাঁপানো দেখে আমার হাসিটা ফিচ করে বের হয়ে গিয়েছিল। বেচারা আসলেই ভয় পেয়েছে। ‘উনি না...
মংমং

মংমং

কিশোর গল্প
ধ্রুব নীল পাহাড়ে বাস করে এক আজব প্রাণী। নাম তার মংমং। মংমং দেখতে কেমন? শরীরটা বিশাল। দানোর মতো। তবে মোটেও ভয়ানক নয়। গোলগাল তুলতুলে মংমং। একটু বাতাস এলেই বেলুনের মতো উড়ে যায়। মংমং থাকে পাহাড়ের ওপর একটা পুকুরে। রাত হলে পানি থেকে উঠে আসে। দিনের বেলা ঘুমিয়ে কাটায়। কারো সাথে কথা বলে না। কেউ খেলতেও আসে না। খেলবে কী করে, মংমংকে তো কেউ এখনও দেখেনি। একদিন মংমংয়ের সাধ হলো পাহাড়ের ওপারে যাবে। ওপারে বিকেল হলে ছেলেমেয়েরা দল বেঁধে খেলে। বিকালে পুকুর থেকে উঠে এলো মংমং। লাফাতে লাফাতে এগিয়ে চলল পাহাড়ের চূড়ায়। তাকিয়ে দেখলো আশপাশ। ‘কী দারুণ!’ অবাক হয়ে বলল মংমং। সূর্যের আলোয় চিকচিক করছে পাহাড়ি ফুল। অনেক ফলগাছও আছে। ‘উফ, খিদে পেয়েছে। আগে ফল খাই’। বলল মংমং। ফলগাছ দেখে হাঁটতে লাগলো। ওপারে লুকোচুরি খেলছে একদল শিশু। গাছের আড়ালে লুকিয়ে ছিল মিনু। মংমং তাকে দ...
মানুষ পাখি অদলবদল

মানুষ পাখি অদলবদল

কিশোর গল্প
ধ্রুব নীল একটা আছে আষাঢ়ে পাড়া। কোথায় আছে? জানি না। আষাঢ় এলেই আজব ঘটনা ঘটে সেখানে। আষাঢ় মাসে নামে ঝুম বৃষ্টি। বৃষ্টি শেষেই ঘটে আজব ঘটনা। গ্রামের সব পাখি হয়ে যায় মানুষ। মানুষরা সব হয়ে যায় পাখি। একদিন আষাঢ়ে পাড়ায় শুরু হলো ঝমঝম বৃষ্টি। তারপর ঘটনাটা ঘটলো। ইশকুলের স্যার হয়ে গেলেন একটা বক পাখি। ক্লাসের মিনি হয়ে গেলো মাছরাঙা। তার বন্ধু রবি হয়ে গেলো একটা চড়ুই। বক স্যারের খিদে লেগেছে। মাছ পাই কোথায়? স্যারের মনে পড়লো বক পাখিরা মাছ ধরতে ঠায় দাঁড়িয়ে থাকে পানিতে। মাছ দেখলেই খপ করে তুলে নেয় ঠোঁটে। তিনিও তাই করলেন। দাঁড়িয়ে রইলেন এক পায়ে। ছুটে এলো ছোট মাছরাঙা মানে আমাদের টুনি। সে বলল, আমি ছোঁ মেরে একটা পুঁটি ধরেছি স্যার। ফুরুৎ করে এলো চড়ুই। সে হলো রবি। চড়ুই রবি বলল, মিনি, দানা কুড়াবে? ওই ছাদে অনেক চাল আছে। আমি প্রতিদিন চড়ুইদের জন্য ছাদে চাল ছিটিয়ে রাখি। আজ...
ডালিম ভাইয়ের বাঁশি : সায়েন্স ফিকশন গল্প

ডালিম ভাইয়ের বাঁশি : সায়েন্স ফিকশন গল্প

কিশোর গল্প, সায়েন্স ফিকশন
ধ্রুব নীল ‘জাদুটা আবার দেখবি?’ ‘কোনটা?’ ‘আরে ওইটা। তুই তখন ফাইভে। পেনসিলের মতো টিংটিঙা ছিলি। তোরে তো পেনসিলই ডাকতাম। ওই সময় যেটা দেখাইছিলাম।’ ‘আমার তো মনে নাই।’ ‘মনে থাকন লাগবো না। আমার আছে।’ দুঃসম্পর্কের আত্মীয় বলে একটা বিষয় আছে। কেউ বলে লতায়-পাতায় আত্মীয়। কাগজে কলমে ডালিম ভাই দূরের হলেও খাতিরের দিক দিয়ে খুব কাছের ছিলেন। অবলীলায় তার কাঁধে মাইলের পর মাইল ঘুরে বেড়াতাম। এখন সম্পর্কে ঢিল পড়েছে। কাঁধে ওঠার বয়স নেই। ডালিম ভাইয়ের সঙ্গে কবে জাদু দেখতে গিয়েছিলাম, মনে পড়ে না। তবে কম অ্যাডভেঞ্চার তো করিনি। কোনো এক ফাঁকে জাদুর আসরে গিয়েছিলাম হয়তো। গ্রামে এখনও এসব আসর বসে নাকি? ডালিম ভাই আমাকে দেখে কতটা খুশি হলো সেটার প্রমাণ পেলাম নাশতা শেষ হওয়ার পর। আমাকে রীতিমতো বগলদাবা করে হাঁটা দিলো নো ম্যান্স ল্যান্ডের দিকে। কামাল্লা নামের জায়গাটা আবার ভারতের সীমান্ত ...