Monday, September 14
Shadow

প্রেমের গল্প

Bangla Romantic Story collection free reading
Here are lots of free Bangla Romantic story and romantic golpo to read.

প্রেমের গল্পগুলো এখানে নিরবে কথা কবে।

বিরহের গল্প :‎ ভালোবাসা হলো কিন্তু পাওয়া হলো না

বিরহের গল্প :‎ ভালোবাসা হলো কিন্তু পাওয়া হলো না

প্রেমের গল্প
‎জ্যোতি বসু চাকমার বিরহের গল্প ভালোবাসা হলো কিন্তু পাওয়া হলো না ‎‎আমি জানি না ভালোবাসা ঠিক কবে শুরু হয়। কিন্তু আমার ভালোবাসা শুরু হয়েছিল একেবারে প্রথম দেখাতেই। ‎সেদিন খুব সাধারণ একটা দিন ছিল। বিকেলের দিকে আমি আমার বন্ধুদের সাথে দাঁড়িয়ে গল্প করছিলাম। হঠাৎই আমার চোখ পড়ল একটা মেয়ের দিকে। সে রাস্তা দিয়ে হেঁটে যাচ্ছিল। তার মুখে খুব সাধারণ একটা হাসি ছিল, কিন্তু সেই হাসিটাই আমার মনে অদ্ভুত একটা অনুভূতি জাগিয়ে দিয়েছিল। ‎আমি তখনই বুঝেছিলাম—মেয়েটিকে আমার ভালো লেগে গেছে। ‎প্রথম দিকে আমি শুধু দূর থেকে তাকে দেখতাম। সাহস হতো না কথা বলার। কিন্তু ভাগ্য হয়তো আমাদের জন্য অন্য কিছু লিখে রেখেছিল। ‎আচ্ছা, আমার পরিচয়টা আগে বলি—আমাকে সবাই বসু বলে ডাকে। আর মেয়েটির নাম ছিল রেলি।যাই হোক, পরিচয় তো দেওয়া হলো। এবার আবার ফিরে যাই আমাদের সেই গল্পে, যেখান থেকে সবকিছুর শুরু। ‎একদিন হঠাৎ ক...
তুমি সন্ধ্যার মেঘমালা

তুমি সন্ধ্যার মেঘমালা

প্রেমের গল্প
রোমান্টিক প্রেমের গল্প ধ্রুব নীল চেনটা দশ ভরি হবে। বিক্রি করলে ভরিতে সত্তর হাজারের মতো পাবে। সেই হিসেবে সাত লাখ। কম না। কষ্ট করে চললে নিপু আর রাকিব অনায়াসে দুই বছর কাটিয়ে দিতে পারবে। মা আবার হার্ট অ্যাটাক করবে না তো? অবশ্য নিজের মেয়ে গয়না চুরি করেছে শুনলে না-ও করতে পারে। এ গয়না তো মেহেরুন্নেসা তার মেজো মেয়ে রেনুর জন্যই রেখেছিলেন। রেনুর বান্ধবী নিপু। এখন বান্ধবী ডাকার চল উঠে গেছে। সবাই বন্ধু। অবশ্য নিপুকে বান্ধবীই ভাবে রেনু। সেই নিপুর পলান্তি বিয়ে হবে কাল। ভোরে বাকশোপ্যাঁটরা নিয়ে চলে আসবে কাজী অফিসে। রাকিবকে ধরে বেঁধে চাকরির টোপ ফেলে রাজি করানো হয়েছে। রাকিবের কাজ হবে ঘরে বসে এটা ওটা ডিজাইন করা। বিনিময়ে মাসে ত্রিশ হাজার টাকা পাবে। পুরোটাই রেনুর সাজানো চাকরি। মাসে ত্রিশ করে দুই বছরে লাগবে সাত লাখ বিশ হাজার। শর্ত হলো দুই বছরের মাঝেই আরেকটা চাকরি জোটাতে হবে রাকিবকে। ‘আমার বা...
অপূর্ণ আলোর গল্প

অপূর্ণ আলোর গল্প

প্রেমের গল্প
আসাদুজ্জামান খান মুকুল প্রথমবার ওদের দেখা হয়েছিল এক সাধারণ বিকেলে। তখন তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন সেমিস্টারে পড়ছে। লাবনী জানালার পাশে বসেছিল। আলো পড়েছিল চুলে,সোনালি রোদে নরম কেশগুচ্ছ যেন ছোট ছোট আলোর রেখা। অয়ন একবার ঘুরে তাকাতেই চোখে চোখ পড়ে,লাবনী তখন লজ্জায় দৃষ্টি সরিয়ে নেয়। সেই নীরব দৃষ্টি হয়তো দু’জনের মনে কোথাও স্থান করে  নিয়েছিল। দিন গড়ায়। ক্লাস শেষে লাবনী লেকের ধারে হাঁটতে যেত। অয়ন নানান অজুহাতে ছূটে যেত পিছনে পিছনে। একদিন বৃষ্টিতে দু’জন গাছতলায় আশ্রয় নেয়। অয়ন নিজ থেকেই বলে উঠে -- “তুমি তো ভিজে গেছো।” লাবনী হেসে বলে --  “বৃষ্টি আমাকে ভালোবাসে, তাই ছাড়েনা।” এই কৌতুকপ্রদ কথাতেই দুজনের মাঝে হাসির স্রোত বয়ে যায়। সেই হাসির ভেতরেই যেন অনাগত বিচ্ছেদের বিরুদ্ধে প্রথম প্রতিবাদ জন্মেছিল। ধীরে ধীরে কথা বাড়ে। প্রথমে ক্লাসে, পরে ক্যান্টিনে। এভ...
পাহাড়ের কোলে প্রেমের গল্প 

পাহাড়ের কোলে প্রেমের গল্প 

প্রেমের গল্প
জ্যোতি বসু চাকমা ‎পাহাড়ের একটি ছোট গ্রামে বসু বড় হয়েছে। তার জীবন ছিল সাধারণ—স্কুলে যাতায়াত, সকালে চা বিক্রি করা, বিকেলে বন্ধুদের সঙ্গে খেলাধুলা। কিন্তু একদিন গ্রামের নীলাভ আকাশের তলায় দেখা হলো কণিকার নামের এক মেয়ের সাথে। ‎কণিকা শহর থেকে এসে গ্রামের আত্মীয়ের বাড়িতে উঠেছে। তার চোখের মায়া, হাসির সুর, এবং সরলতা—সব কিছুই বসুকে প্রথম দেখাতেই মুগ্ধ করে দিল। ‎প্রথমে তারা কেবল হেসে কথা বলত। বসু পাহাড়ের পথে কণিকাকে নিয়ে হেঁটে যেতে ভালোবাসত। ঝর্ণার পাশ দিয়ে হাঁটা, গাছের ছায়ায় বিশ্রাম—সবকিছুই তাদের বন্ধুত্বকে ধীরে ধীরে ভালোবাসায় পরিণত করল। ‎একদিন বসু কণিকাকে জিজ্ঞেস করল, “তুমি কি জানো, আমি তোমাকে কতটা চাই?” ‎কণিকা লজ্জা পেয়ে চোখ নামিয়ে দিল। “আমি… আমি বুঝি না,” সে ভিজে চোখে বলল। ‎বসু তার হাত ধরে বলল, “চোখ বন্ধ করো, শুধু বিশ্বাস করো। পাহাড়ের বাতাস আমাদের গল্প শুনছ...
কষ্টের রঙে আঁকা আলো

কষ্টের রঙে আঁকা আলো

প্রেমের গল্প, সামাজিক গল্প
সৃজনী আচাৰ্য্য নীলা নীলাভ আকাশের মৃদু আলো যখন শহরের ওপর ছড়িয়ে পড়ে,ছোট্ট শহরের রাস্তায় কাঁটা রোদ আর শীতল হাওয়ার খেলায়প্রতিটি বাড়ি যেন নতুন জীবনের নিঃশ্বাস নিচ্ছে।পাখির কণ্ঠ, পাতার মৃদু কোলাহল,নদীর ধারের হালকা তরঙ্গ—সবকিছু যেন এক নীরব কাব্য। ছোট্ট একটি ঘরে, যেখানে বইয়ের স্তূপ, নোটবুক আর কলমের ছড়াছড়ি,সেখানে বসেছিল সপ্তবর্ণা, ষোল বছরের শেষের দিকে,স্বপ্নের পাখি চোখে আর হৃদয়ে আলো ভরা।প্রতিটি শব্দ, প্রতিটি রঙ তার মনকে স্পর্শ করত।সূর্যের সোনালি রোদ, বাতাসের মৃদু শীতল স্পর্শ,ঘরের ছোট্ট আলো—সবকিছু যেন তার চোখের সামনে নাচছে,একটা অদৃশ্য লড়াই আর আশার সুর বাঁধছে। সপ্তবর্ণা স্বপ্ন দেখত—একদিন সে বড় হয়ে হবে একজন মহাকবি বা শিক্ষাবিদ,যে মানুষের হৃদয়ে আলো ছড়াবে,যে তার লেখা শব্দ দিয়ে অন্যদের মন জাগিয়ে তুলবে।প্রতিদিন স্কুলে যাওয়া, বই পড়া, লেখা—সবই তার স্বপ্নের ধাপ।প্রকৃতির প্রতি...
“আত্মার বন্ধন”

“আত্মার বন্ধন”

প্রেমের গল্প, সামাজিক গল্প
রাহেলা আক্তার  অবনী থার্ড ইয়ারের ছাত্রী। সামনে ফাইনাল এক্সাম। ভীষণ চিন্তায় ভুগছেন। একমাত্র ভাই এবার এস এস সি এক্সাম দিবে। ছোট বোন ক্লাস এইটে পড়ে। তিন ভাই বোনের মাঝে অবনীই বড়। অবনীর "মা" নীলিমা চৌধুরী আজ দশ বছর ব্রেস্ট ক্যান্সারে ভুগছেন। প্রথম চার বছর চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হলেও বছর খানেক পরে আবার দেখা দেয়। এবার ফারমেন্ট চট্টগ্রাম মেরিন সিটি হাসপাতালে ভর্তি আছেন। তিন মাস পরপর কেমোথেরাপি চলে, থেরাপি দিতে দিতে নীলিমা চৌধুরীর চুল প্রায় উঠে গেছে, পশম খসে পড়তেছে। অবনী রাতদিন হাসপাতালে মায়ের সেবা করে যাচ্ছেন। মাঝেমধ্যে মায়ের শারীরিক অবস্থা একটু ভালো দেখা দিলে মাকে নিয়ে হাসপাতালের পাশেই অবনীর আন্টিদের বাসায় বেড়াতে নেন। অবনীর বাবা আদনান চৌধুরী নিউইয়র্ক থাকেন। স্ত্রী অসুস্থ হবার পর থেকে তিনি তেমন দেশে ফিরেন না। চিকিৎসা বাবদ কিঞ্চিৎ খরচ দেন। অবনীর নানার বাড়ি থেকেই বেশির ভাগ খরচ ...
শেষ ট্রেনের অপেক্ষা

শেষ ট্রেনের অপেক্ষা

প্রেমের গল্প
মামুন সরকার কমলাপুর স্টেশন রাত প্রায় ১১টা। মুষলধারে বৃষ্টি হচ্ছে। প্ল্যাটফর্মের বাতিগুলো হলদে পাতার মত ঝাপসা। ক্ষণে ক্ষণে বৈরী বাতাসে বৃষ্টির ছাঁট এসে যাত্রীদের গায়ে লাগছে। প্ল্যাটফর্মে অসংখ্য মানুষের আনাগোনা।  এদিক সেদিক দৌড় ছুট করছে। কিছু তরুণ যুবা দাঁড়িয়ে থাকা ট্রেনে উঠানামা করছে।আবার কেউ কেউ দাঁড়িয়ে ভ্রাম্যমান টোকাইয়ের কাছ থেকে চা সিগারেট পান করছে। গরম চায়ের ধোঁয়া আর সিগারেটের গন্ধ মিলেমিশে অদ্ভুত একটা পরিবেশ। ভেজা রেললাইন ঝিকমিক করছে ট্রেনের হেডলাইটের আলোয়। একটা ট্রেন ধীর লয়ে  ঢুকে চার নম্বর প্লাটফর্মে, আরেকটা ছেড়ে যায় ছয় নম্বর থেকে।রুদ্র দাঁড়িয়ে আছে প্লাটফর্মের পিলার ঘেষে এক কোণে। তার ট্রেন রাত বারোটায়। রুদ্র যাবে রাজশাহী। হাতের  ব্যাগটা পায়ের কাছে রেখে চারদিকে চোখ ঘোরায়, একহাতে ধরা পুরনো মুঠোফোন। শরীরে পালস ধীরে চললেও বুকের ভিতর ক...
ভালোবাসার আবির

ভালোবাসার আবির

প্রেমের গল্প
সাবরিনা তাহ্সিন মৃদুলা বেশ ভালো কবিতা আবৃত্তি করে।সে যখন কবিতা আবৃত্তি করে ,তখন যেন এক সুরের মূর্ছনা চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে।"উদীচী নাট্যদল" এর সহ-সংগঠন " সুরের আলপনা " যেখানে আবৃত্তি চর্চা ও প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।মৃদুলা " সুরের আলপনা " থেকে আবৃত্তি প্রশিক্ষণ নেয়।তারপর কোনো না কোনো সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করে।সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ও মৃদুলা বেশ পরিচিত মুখ। সেই সুবাদে আবির নামে এক ব্যাক্তি মৃদুলাকে মেসেঞ্জারে নক দেয়।মৃদুলা প্রথমে পাত্তা দেয় না।তারপর ঐ ব্যক্তি যখন আবেগীয় কিছু কবিতার লাইন লেখে ,তখন মৃদুলা একটু ঐ ব্যাক্তির সাথে কথা বলতে আগ্রহী হয়। ( রোমান্টিক গল্প ভালোবাসার আবির ) মৃদুলা লেখে ," বাহ্ ,অনেক সুন্দর কবিতা লিখেন তো আপনি ।"আবির বলে ," এইতো ,একটু চেষ্টা করি আর কী ।আপনার সাথে কথা বলে ভালো লাগছে।আপনার ব্যাপারে অনেক জানি। আপনিও অনেক ভালো কবিতা আবৃত্তি করেন।"মৃদুলা বল...
কৃ : রোমান্টিক ফ্যান্টাসি উপন্যাস

কৃ : রোমান্টিক ফ্যান্টাসি উপন্যাস

প্রেমের গল্প
ধ্রুব নীলের রোমান্টিক ফ্যান্টাসি উপন্যাস ১ পাশের বাড়ির ছাদে এক রূপবতী হেঁটে বেড়াচ্ছে এবং আমি তার দিকে নিষ্পলক তাকিয়ে আছি। মেয়েটাকে দেখে একবারও মনে হলো না যে আমার স্ত্রী রেশমা এ অবস্থায় আমাকে দেখলে দুচার কথা শুনিয়ে দেবে। মনে হলো মেয়েটার দিকে এভাবেই তাকিয়ে থাকতে পারবো। অনন্তকাল না হোক, আপাতত অফিস কামাই করা যায়। কারণ ছাদের মেয়েটা অবিকল লুনার মতো। অবিকল কথাটা বাড়িয়ে বলিনি। চোখ, কান বা নাকে নয় শুধু। যমজদের মতো হুবহু মিল! তবে একটা বড় কিন্তু আছে। যে কিন্তুটার জন্য আমার তাকিয়ে থাকার ধরনটা ছিল হ্যাংলা। মেয়েটা দেখতে অবিকল পনের বছর আগের লুনার মতো। এখনকার লুনার মতো নয়। মানে মেয়েটা যে লুনাই হতে পারে সেটাও সম্ভব নয়। কারণ লুনা মারা গেছে তের বছর আগে। সে ছিল আমার প্রথম প্রেমিকা। মহাবিশ্ব মানেই রহস্যের ছড়াছড়ি। ইলেকট্রনের দুই রকম আচরণ, কোয়ান্টাম এনটেঙ্গলমেন্ট, স্পেস-ট...
আলীকদম জিপ সার্ভিস

আলীকদম জিপ সার্ভিস

প্রেমের গল্প
মুহাম্মদ এলমুল বাহার : লম্বা পাহাড়ের পাশঘেঁষা বিলের মাঝে ৪টা সেমিপাকা ঘর। এই ৪টা ঘর নিয়েই এই বাড়িটা। বাড়ির পাশঘেঁষে সরু আইলের মতো একটা রাস্তা চলে গেছে। আইলের একপাশে জমিতে কলমি শাকের চাষ হয়েছে, অন্যপাশে ধান। সেই রাস্তা দিয়ে একটু হাঁটলেই আলীকদম পানবাজার। রাস্তার সাথে লাগানো ঘরটাতে চোখে চশমা দেওয়া, মুখভর্তি দাঁড়িওয়ালা হ্যাংলা করে যে ছেলেটা আছে তার নাম জাবির আর লম্বা করে গোলগাল চেহেরার মেয়েটা জোহরা। ওরা স্বামী-স্ত্রী, বিয়ে করেছে কয়েকমাস হলো। বছর দেড়েক প্রেম করে বিয়ে করে পালিয়ে এসেছে। শহরের বিলাসবহুল জীবন ছেড়ে প্রেমনদীতে ঝাঁপিয়ে পড়ে এই পাহাড়ের কিনারায় এসে তরী ভিড়িয়েছে দু'জনে। তাদের ভালোবাসা দুই পরিবারের কোনো পরিবারই মেনে নেয়নি। মেনে নেবেই বা কেন? যে সমাজে কিনা প্রেম করা অন্যায় সেখানে তারা শুধু প্রেম করেই ক্ষান্ত হয়নি, নিজেদের ধর্ম ছেড়ে দুইজনেই চলে এসেছে ইস...