ভয়ানস্কির সিনেমা
ধ্রুব নীল : লাইট! ক্যামেরা! অ্যাকশন!
‘অ্যাঁ, ইয়ে মানে, আঁমাদের এঁকন কী কঁরতে হবে? ইয়ে অ্যাঁ, হ্যাঁ মনে পড়েচে, আমাদের শাকচুন্নিকে উদ্দার করতে যেঁতে অঁবে..’
‘কাট!’
চেঁচালে ভয়ানস্কির তিনটি চোখই ইঞ্চি দুয়েক ফুলে যায়। তাকে দেখতে তখন প্রাগৈতিহাসিক রাক্ষসদের মতো মনে হয়।
‘মামদো! কত্তোবার বলেছি! নো নাকি নাকি ভয়েস! নিজেকে হিমেশ ভাবা শুরু করেছ? নো! এসব চলবে না! আই নিড অ্যাক্টিং! সিরিয়াস অভিনয় করতে হবে! বুঝলে!’
মামদো বেচারার আর কী দোষ। পড়াশোনা বেশি করেনি। তাই উচ্চারণে একটু আধটু ত্র“টি রয়ে গেছে। তারপরও দেখতে কিছুটা ভয়ংকর বলে ভয়ানস্কি তাকে নায়কের রোল না দিয়ে পারলেন না।
‘দেখ মামদো! শেষবারের মতো বলছি, তোমাকে ডায়ালগ দিতে হবে। ভাবতে হবে, যা ঘটছে তা সত্যি ঘটছে। নিজেকে সত্যি সত্যি ভলিউডের মহানায়ক সর্বভুক খান ভাবতে হবে। আন্ডারস্ট্যান্ড? চুপ কেন! বুঝেছ!’
মামদো চিন্তায় পড়...








