Sunday, March 1
Shadow

থ্রিলার গল্প

Bangla thriller stories for free. Here you can read fantastic and extra ordinary Bangla Thriller Stories written by prominent thriller writers of Bangladesh.
বাংলা থ্রিলার গল্প পড়তে এই ক্যাটাগরির গল্পগুলো পড়ুন।

রহস্যজট: পরিচয়

রহস্যজট: পরিচয়

থ্রিলার গল্প
ধ্রুব নীল এটি জনপ্রিয় লেখক ধ্রুব নীলের লেখা একটি রহস্যজট ধাঁধা। দৈনিক কালের কণ্ঠের মগজ ধোলাই ম্যাগাজিনে নিয়মিত ধ্রুব নীলের রহস্যজট ছাপা হতো। প্রথমে একটি গল্প থাকবে, সেই গল্পের ভেতর থাকবে সূত্র। শেষে পাঠককেই সেই সূত্র বের করে সমাধান করতে হবে ধাঁধার। আপাতত গল্পের একদম শেষে দেওয়া আছে উত্তর। আগে চেষ্টা করুন। না পারলে স্ক্রল করুন। নিয়মিত রহস্যজট ও গল্প পেতে ওয়েবগল্প সাইটটি সাবসক্রাইব করে রাখুন। দেয়ালে স্ট্যাচুর মতো ঝুলতে থাকা পেটমোটা টিকটিকিটা দেখে যুবকের মনে হলো তার নাম আরশাদ নয়, অন্য কিছু। কিন্তু আরশাদ নামটা মাথায় আসলো কেন বুঝতে পারছে না। ভোঁতা একটা ব্যথা মাথায় ছড়িয়ে আছে। সাদা বিছানায় সে একা। বিছানাটা এত সরু যে আর কারোর থাকাও সম্ভব না। বিছানা ছেড়ে উঠে বসতে গিয়ে বুঝতে পারলো এটা হাসপাতাল। তা না হলে শরীর এত দুর্বল লাগবে কেন? মুখভর্তি দাঁড়ি। এত বড় দাঁড়ি তার কখনই থ...
পাপমুক্তি 

পাপমুক্তি 

থ্রিলার গল্প
শরীফা সুলতানা  রাহেলার খুন্তি নাড়ানোর শব্দে কাজের ব্যঘাত ঘটছে আবুলের। এই কাজটা করেই সে সংসারের ঘানি টেনে চলেছে। এবার ভালো দান মারার ইচ্ছা। তাই ভূয়া রিপোর্ট আনতেও কিছু মাল ছাড়তে হয়েছে। বড় রকমের অসুখ বলে কথা! মানুষ আর মানুষ নাই বলার যুগেও কেউ কেউ মানবিকতার পরিচয় দেয়। ঘটনা যাতে লোকের কাছে বিশ্বাসযোগ্য হয় তার জন্য বুদ্ধি খাটিয়ে ফন্দি ফিকির করতে হয়। ছেলেপুলেরা মাংস ছাড়া খেতে চায় না। কিন্ত তার ছেলে সজলের বেলায় উল্টো। ঢেঁড়শ ভাজি হলে তার আর কিছু লাগে না। প্রায় দিনই ছেলের জন্য রাহেলা করে থাকে। আজও করছে। কিন্ত অতিরিক্ত নাড়াচাড়া। এই অতিরিক্ত খুন্তি নাড়ানাড়ির মানে সে রেগে আছে। কেন রেগে আছে এটাও অজানা নয় আবুলের কাছে। তার স্বামী দুই নাম্বারী করে তাদের খাওয়াচ্ছে এটা মোটেই পছন্দ করে না সে।  নুন ভাত খেতে রাজি কিন্ত হারাম খেতে রাজী নয়। তার একটাই কথা। মরাতো লাগবে। আল্লাহর কাছ...
সায়েন্স ফিকশন গল্প : পঞ্চতন্ত্র

সায়েন্স ফিকশন গল্প : পঞ্চতন্ত্র

জাদু-বাস্তবতা, থ্রিলার গল্প, সায়েন্স ফিকশন
লেখক: প-লয়ে-লয়-ব পুরানো রেডিও টার ব্যাক কভার খুলে পার্টস গুলো টেবিলের উপরে ছড়িয়ে ছিটিয়ে নিয়ে বসে আছে পিয়াস। এটা তার বাবার রেডিও।  একবার বিদেশ ঘুরে আসার সময় নিয়ে এসেছিলেন। এটা দিয়েই যুদ্ধের সময় সারাক্ষণ কান পেতে থাকতেন নাকি। এটা অবশ্য শোনা কথা। তখন তো পিয়াসের জন্মই হয়নি। এখন অবশ্য এটা নষ্ট। ইলেকট্রনিকস এর প্রতি পিয়াসের খুব আগ্রহ। কিছু একটা পেলেই খুলে ভেঙ্গে দেখে, এলোমেলো জোড়াতালি দিয়ে দেখে কি হয়। তাদের বাসার কাছেই মেশিন কাক্কুর টিভি সারাইয়ের দোকান। বিকেলে খেলতে না গিয়ে পিয়াস মেশিন কাক্কুর দোকানে গিয়ে বসে থাকে। মেশিন কাক্কু বাবার বন্ধু। উনি নাকি যে কোন মেশিনই ঠিক করে ফেলতে পারেন। তার নাম মহাসিন মিয়া। বাবা তাকে মেশিন মিয়া ডাকেন আর পিয়াস ডাকে মেশিন কাক্কু। উনি অবশ্য এতে রাগ করেন না বরং পিয়াস তার পাশে বসে থেকে এটা সেটা জানতে চায় বলে তিনি খুব খুশি হন। একবার তো ব...
রহস্যজট : ইলশেগুড়ি

রহস্যজট : ইলশেগুড়ি

থ্রিলার গল্প
ধ্রুব নীল: শুভ চলে যেতেই কফির মগ হাতে উঠোনের মতো জায়গাটায় রাখা দোলনায় গিয়ে বসলো ইরিনা। ঢাকায় এমন আঙিনাওয়ালা বাড়ি হাতে গোনা। চারপাশে অ্যাপার্টমেন্টের ছড়াছড়ি। পুরনো আমলের বাড়িটাও যে কবে বাড়িওয়ালা বিল্ডার্সদের দিয়ে দেয়। আকাশে এখনও মেঘ। রাতে বান্ধবীরা আসবে সবাই। তার স্বামী গেছে চট্টগ্রামে, ব্যবসার কাজে। আগামীকাল ফেরার কথা। বান্ধবীরাও সবাই কোনও না কোনও চাকরিতে। বৃষ্টি দেখে আজ সবাই ইরিনার হাতের খিচুড়ি খেতে চেয়েছে। পাশাপাশি তিন চার পদ রান্না করবে বলেও ঠিক করলো। তুলির পছন্দ পটলের দোলমা আর ফৌজিয়ার চাই বিফ চিলি। নাজলা আবার ইদানীং মাংস খাওয়া ছেড়ে দিয়েছে। তার জন্য সবজি।রান্না চড়িয়ে আবার উঠোনে এলো ইরিনা। বাড়িটা একেবারে নীরব। দোতলায় ভাড়াটিয়া থাকে। আজ সম্ভবত নেই। উঠোনে রাখা দোলনায় দুলতে দুলতে ইরিনা ফোন দিল নাজলাকে। খানিক খোঁজখবর নিয়েই বুঝতে পারলো মেয়েটা কোনও একটা ঝামেলায় আছে। ঠিকঠাক কথা বলতে পারছ...
রহস্যজট : বর্ষামঙ্গল

রহস্যজট : বর্ষামঙ্গল

থ্রিলার গল্প
ধ্রুব নীল : ‘নিন, মাথাটা মুছুন।’ইরিনা টাওয়াল বাড়িয়ে দিলেও ছেলেটা যেন ঠিক বুঝে উঠতে পারলো না সে এটা দিয়ে কী করবে। পরে যখন বুঝতে পারলো তখন এমনভাবে মাথা মুছতে লাগলো যেন মাথায় বৃষ্টির পানি নয়, বিষাক্ত কিছু লেগে আছে। তারপর মাথা মোছা যখন থামলো, তখন সে অনেকটা স্বাভাবিক হলো। বিড় বিড় করে বললো, ‘আমার বাবার ফাাঁসি হয়ে যাবে।’ ‘কফি নাকি চা?’‘জ্বি কফি।’ইরিনা কফি বানাতে চলে গেল। ভাল পর্যবেক্ষক হলে বুঝে ফেলবে এটা তার ইচ্ছাকৃত। বেশিরভাগ ক্লায়েন্টই এমন। হন্তদন্ত হয়ে আসে। কথা গুছিয়ে বলতে পারে না। প্রাইভেট কাউন্সেলর হিসেবে খ্যাতি ছড়িয়ে যাওয়ায় ইরিনাকে এমন ক্লায়েন্ট কম সামলাতে হয়নি। এসব টুকটাক কৌশল তাই রপ্ত করতেই হলো তাকে।‘এবার গোড়া থেকে বলুন।’‘সেদিন সকাল থেকে বৃষ্টি। বাবা মা প্রতিদিনই ঝগড়া করে। মানে আমার সৎমা। কলেজ থেকে ফিরে দেখি ওইদিনও ঝগড়া করছে দুজন।’কফিতে চুমুক।‘কী নাম আপনার?’‘শুভ।’‘কী নিয়ে ঝগড়া হতো ...
হরর থ্রিলার গল্প : সি আই পি এ

হরর থ্রিলার গল্প : সি আই পি এ

অতিপ্রাকৃত গল্প, থ্রিলার গল্প, হরর গল্প
ধ্রুব নীলের হরর থ্রিলার গল্প : সি আই পি এ রেনু খুন হওয়ার দেড় মাসের মাথায় খুনিকে ধরেছে রশিদ। খুনি এখন তার সামনে ভারী কাঠের চেয়ারে হাত-পা বাঁধা বন্দি। ‘তুমি আমার একচল্লিশ নম্বর সাবজেক্টের... স্বামী। চিনতে পেরেছি আগেই।’ খুনি বলল। রশিদের স্ত্রী রেনুকে ভয়াবহ যন্ত্রণা দিয়ে সে-ই মেরেছে। ফ্ল্যাট বাসার ভেতরের একটা রুম। ভেতরে ঝলমলে আলো। দুই লেয়ারের ভারী পর্দায় ঢাকা চারপাশ। রুমটা সাউন্ডপ্রুফ করতেই লাখ তিনেক খরচ করেছে রশিদ। অ্যাকুস্টিক প্লাস্টারবোর্ডের সঙ্গে ফোমও বসিয়েছে। তবে খুনি লোকটা একবারও চেঁচামেচি করেনি। খুনির নাম জানা নেই। নাম নিয়ে রশিদের আগ্রহ নেই। পত্রিকার দেওয়া নামটা হলো ‘সলটেড কিলার’। ভিকটিমকে খুঁচিয়ে খুঁচিয়ে রক্তাক্ত করতো। তারপর লবণ বা এ জাতীয় কিছু মেখে দিত। মরার আগ পর্যন্ত চলতো অমানুষিক নির্যাতন। দুয়েকটা ডেডবডিতে হাইড্রোজেন পারঅক্সাইড ও ভিনেগারের ট্রেস পা...

হত্যা

থ্রিলার গল্প, সামাজিক গল্প
নারী বিষয়ক গল্প: হত্যা। লিখেছেন উজ্জ্বল রায় পাড়ায় পা রাখতেই টের পেলাম পাড়াতে কিছু একটা অঘটন ঘটেছে। একটু এগিয়ে জানতে পারলাম সালমা মারা গেছে।ভাবলাম যাক একদিকে ভালই হল।ওই দূর্বিসহ মৃত্যু যন্ত্রণার হাত থেকে তো রেহাই পেলো মেয়েটা। মনে হচ্ছে তো এমন কথা কেন বলছি? আপনারাই ভাবুন একটা মেয়ে বছর পঁচিশের মেয়ে তরতাজা শরীরের পঁচাওর শতাংস পুড়েও যদি সেই শরীর বাঁচার তীব্র লড়াই করে সেটা কতটা কঠিন হতে পারে।হুম, এমনই মৃত্যু যন্ত্রণার সঙ্গে দুইমাস নিরন্তর লড়াইয়ের পর আজ সালমা হার মেনেছে মৃত্যুর কাছে।আহ্ মৃত্যু! তোমারও কত রুপ। ভাবনার তাল কেটে দিল আমার দিকে ছুটে আসা সালমার মা'য়ের কান্নার রোল।পথ আটকে সামনে দাঁড়িয়ে " সালমা আমার চলে গেল বাবা" বলে সূর করে কান্না করতে থাকল।বেচারা আমির সে যে কঠিন পরিস্থিতি বলে বোঝাতে পারব না।মনে হলো চিৎকার করে বলি, তোমরা সকলে মিলেই তো ওকে মারলে।এখন আবার এত কান্না ...