Thursday, January 15
Shadow

রোমান্টিক ছোটগল্প

Bangla Romantic Story collection free reading
Here are lots of free Bangla Romantic story and romantic golpo to read.

বোধ

জাদু-বাস্তবতা, রোমান্টিক ছোটগল্প
গত ছমাস ক্ষণিকা হাসপাতালে। কোনো কাজ নেই। দিনরাত শুধু শুয়ে থাকা। প্রথম কদিন বেশ খারাপ লেগেছিল। পরে সয়ে এসেছে। বিছানায় শুয়ে চোখ বুঁজে ভাবাটাই এখন তার কাজ। মাঝে মাঝে বদ্ধ পরিবেশটায় সবকিছু অসহনীয় মনে হয়। কিন্তু চোখ বুঁজলেই মনে হয় সামনে অসীম দিগন্ত। হাসপাতালে ছমাস। অথচ ক্ষণিকার স্বামী তাকে একবারও দেখতে আসেনি। ইশ্, অন্তুটা না জানি কী করছে! সামনের ডিসেম্বরে তিনে পা দেবে। এই সেদিন টুকটুক করে কথা বলা শিখেছে। বদ্ধ পরিবেশটায় থাকলে সময় বোধহয় দ্রুতই যায়। ইমতিয়াজ কি অন্তুকে ঠিকমতো সময় দিচ্ছে? সে নিজেই তো ভুলোমনা। ক্ষণিকা এ জন্য তাকে একটা নামও দিয়েছে, ‘ভুলু’। সন্তান ও স্বামীর কথা অনেক ভেবেছে ক্ষণিকা। প্রথম দিকে খুব অভিমান জন্মালেও এখন আর তা নেই। চোখ বন্ধ করে চাইলেই সে এখন অন্তুকে আদর করতে পারে। কেবল ঠিকমতো কথা বলতে পারে না। কিছু বলতে গেলেই গা ঝাঁকিয়ে দৌড়ে পালাবে। আপাতত ভাবার মতো...

চরণে ধরিয়া তব

রোমান্টিক ছোটগল্প
রোমান্টিক ছোট গল্প ‘চরণে ধরিয়া তব’ লিখেছেন ধ্রুব নীল। আপনার গল্প পাঠান এই ঠিকানায় news@matinews.com শুধু আমিই আমাকে বুঝতে পারি। মা-ও পারে না। সেখানে তমাল কোন ছার! তাকে বুঝতে দিলেও সে বুঝবে না। তমাল হলো খোলা বই। তরতর রিডিং পড়া যায়। সমস্যা হলো বইটায় থ্রিল নেই। ম্যাড়ম্যাড়ে কয়েকটা ছোটগল্প বড়জোর। তমালের ফোনে ব্রাউজার হিস্ট্রি ডিলিট করার অ্যাপ দেখেছি। কথা বলার সময় মিনিটে চোখ কতবার কোন দিকে যায়, আর সেটার পেছনে যে মনস্তত্ত্ব লুকিয়ে থাকে, সেটা একটা সফটওয়্যারও ধরে ফেলবে। আমার চোখের কঠিন ফেস রিকগনিশন সে ফাঁকি দেবে কী করে! লুকিয়ে এটা সেটা দেখলে দেখুক। প্রেম করার জন্য লুতুপুতু মার্কা সেজে বসে থাকাটা যে কাজের জিনিস নয়, এই ভুল তার ভাঙতে হবে। বিশ্বাস করুন, ভালো মানুষিগিরির চেয়ে বিরক্তিকর আর কিছু নেই আমার অভিধানে। আমি আমার মতো। ভালো মানুষ ভালো হোক, খারাপ মানুষ খারাপগিরি করুক। আমি থা...

পড়ন্ত বিকেলের প্রেম

রোমান্টিক ছোটগল্প
কবির কাঞ্চন চেয়ারে পিঠ ঠেকে চোখদুটো বন্ধ করে দাঁতে দাঁত কাটতে লাগলেন সোহান চৌধুরী। এ প্রতিষ্ঠানে যোগদান করেছেন প্রায় তিন মাস হয়ে গেছে। তবু সবকিছু নিজের মতো করে চালিয়ে নিতে বারবার ব্যর্থ হচ্ছেন। তবে কী তিনি কোনো ভুল পথে হাঁটছেন? তিনিই এখানকার সর্বেসর্বা। তার কথা সবার কাছে হুকুমের মতো। ইত্যাদি ভাবতে ভাবতে মুখে বিড়বিড় করেন, “না, না, আমাকে কোমল হলে চলবে না। অধীনস্থদের দৌড়ের ওপর না রাখতে পারলে নিজের অবস্থান পাকাপোক্ত করা সম্ভব হবে না। তাছাড়া এখানে যারা কর্মরত রয়েছে তারা সবাই নিজ নিজ শাখায় প্রতিভার স্বাক্ষর রেখেছে। এদের ছাড় দিলে আমার নিজের দুর্বলতা ওদের সামনে ধরা পড়ে যেতে পারে। তাই যে যাই বলুক আমাকে কঠোর হতে হবে।” এরইমধ্যে নিঃশব্দে তার কক্ষে ঢুকে পড়েন জুলি ম্যাম। স্যারকে একাকী বিড়বিড় করতে দেখে খুসখুস কেশে বললেন, - স্যার, কিছু বলছেন? সোহান চৌধুরী সোজা হয়ে বসে জুলি ম্যা...