Saturday, August 30
Shadow

Author: webgolpo2024

সৌরভ বিলায়

কবিতা
মোঃ আশতাব হোসেন নব যৌবন প্রাপ্ত  জীর্ণ  বৃক্ষ বুড়া, আকাশে রং ছড়ায় পলাশ কৃষ্ণচূড়া। কোকিল ছড়িয়ে দেয় রাজ আসার বাণী, বৃক্ষ শাখে  ঘুরে ঘুরে  মিস্টি কুহু ধ্বনি। প্রকৃতির সদস্য শুনে আনন্দে দোল খায়, আঁচল ভরে বাতাস সৌরভ বিলায়। গ্রাম :ইসলামাবাদ, ডাকঘর বলদিয়া  ভূরুঙ্গামারী, কুড়িগ্রাম ...

জাগো নারী

কবিতা
শাহানাজ শিউলী  আঁধার ঘরে বন্দি হয়ে থাকবি তোরা আর কতকাল ওই উঠেছে পূর্ব দিকে টগবগিয়ে সুর্য লাল ,  আর কতকাল চলবি তোরা কষ্ট নিয়ে বক্ষ ভরে বুকের ভিতর আগুন জ্বালা থাকিস নারে চুপটি করে। কি হবে আর এমনি বেঁচে বাড়িয়ে দেহের আয়ুষ্কাল বুকের জ্বালা বাড়িয়ে দিয়ে বুনরে এবার স্বপ্নজাল,  ফাঁদ  পেতেছে ধর্মগুরু পিষ্ঠে দিতে যাতাকলে মুখোশটাকে দে রে খুলে ভিজিস নারে চোখের জলে।  একটি ভোরের আলসেমিতে গা ভাসিয়ে দিস না ঘুম  আঁধারেটাকে মাড়িয়ে  দিলে দেখবে সুদিন দিচ্ছে চুম। বস্তাপঁচা মিষ্টি কথায় সুজন সেজে আসবে কাছে জীবন -মরণ সন্ধিক্ষণে থাকবেনা কেউ তোর পাশে।  থাকতে সময় বুঝে নে রে তোর জীবনের হিসাব নিকাশ  উঁচু মাথায় বাঁচতে হলে করতে হবে জীবন বিকাশ।  জাগো নারী ভাসাও তরি জীবন যুদ্ধের নাব্যতায় জীবন বলির খড়গ হতে বাঁচত...

মা!

কবিতা
রকিবুল ইসলাম "মা"য়ের একফোঁট দুধের দাম,কাঁটিয়া গায়েরও চাম! পাপস বানাইলেও ঋণের শোধ হবেনা। এমন দরদী ভবে কেউ হবে না আমার মা-গো।" পৃথিবীর সকল "মা"কে জানাই আমার অন্তরের অন্তস্থল থেকে অজস্র,অপরিসীম,অকৃত্রিম,সুগভীর সন্মান ও শ্রদ্ধা। প্রসবকালীন সময়ে জন্মদাত্রী "মা"য়ের শরীর থেকে বের হওয়া প্রতিটি রক্তবিন্দু,প্রতিটি যন্ত্রণা,প্রতিটি বেদনার বিনিময়ে আজকের আপনি,আমি,আমরা। আমাদের স্বার্থেই "মা" হয়েছেন বীরাঙ্গনা। আমাদের তরেই বিলিয়ে দিয়েছেন তার দেহের এক,এক ফোটা দুগ্ধ বিন্দু,বিসর্জন দিয়েছেন সকল সাধ,আহ্লাদ, কামনা-বাসনা। নিজের সকল চাওয়া-পাওয়াকে দিয়েছেন বিসর্জন, করেছেন সন্তানের সর্বাঙ্গীণ মঙ্গল কামনা সদা।  ভুলেছেন নিজের মুখে খাবার তোলার কথা, দিয়েছেন তুলে খাবার আমাদের মুখে নিজে অভুক্ত থেকে "মা"। সন্তানের স্বার্থে তার জীবনটাই অকাতরে বিলিয়ে গেলেন যে "মা", ...

জীবনের অবসান!

কবিতা
রকিবুল ইসলাম আমি চেয়েছি হতে নিরুদ্দেশ, নিতে চেয়েছি ছুটি। চেয়েছি পালাতে জীবন থেকে, চেয়েছি অনন্তর-নিরন্তর মুক্তি। মিশতে চেয়েছি আকাশ-জমিনের মিলনস্হলে, ডুবতে চেয়েছি সাগর-নদীর মোহনায়। মিলিত হতে চেয়েছি ভূ-ত্বকের ধূলিকণায়, হারাতে চেয়েছি গগণের নীলিমায়। ঘণ-গাঢ় সবুজ বনানী ডাকে আমায়, দর্শণার্থে তার নিঝুম সৌন্দর্য!  ভীতসন্ত্রস্ত অসহায় আমার মননকে অনুপ্রেরণা যোগাতে অগ্রসর হয়ে আসে লক্ষ-কোটি জোনাকির সংঘ। অগণিত তারকারাজির মেলা অভ্যর্থনা জানায় আমাকে তার নীলাভ আলোর ঈষৎ আভায় স্নাত হতে, দখিনা হাওয়াও আমাকে মৃদু তৃপ্তি দিতে যোগ দেয় সেই সভাতে। ক্ষণিক আমাদে উদ্বেলিত করতে আমায় ডানা ঝাপটে উড়ে আসে প্রজাপতির দল! সহস্র ঝি ঝি পোকা গেয়ে উঠে,  হয়ে যায় গীতি শতদল। সবুজ দূর্বাঘাস বিছিয়ে দেয় গালিচা, হতে আমার চলার পথের সহা...

বুদ্ধির রাজা

ছড়া
-এম. আব্দুল হালীম বাচ্চু শমসের মিয়া বুদ্ধির রাজাকথায় কথায় বলেঅহংকারে নেচে নেচেভেংচি কেটে চলে!এটা জানে ওটা জানেসেলিব্রিটি যেন,মাঝে মাঝে ভেবে মরিএত বুদ্ধি কেন! নিজের বেলায় ষোলোআনাশূন্য পরের বেলায়আবার দেখি মেতে ওঠেছলচাতুরী খেলায়!কথার জালে দেয় ফাঁসিয়েটের পাওয়া যায় পরেনষ্ট বুদ্ধি সাজানো তারমাথার স্তরে স্তরে! হাসি দিয়ে দেয় গলিয়েইচ্ছে যখন হয়হাসির অর্থ বোঝার পরেলাগে ভীষণ ভয়!বুদ্ধির জোরে অনেককিছুইকরতে থাকে দাবিসরল মনে আমরা তবুকুটুম-কুটুম ভাবি! ভালো সেজে এমন মানুষঘুরছে অনেকেইঘুরতে ঘুরতে কেটে পড়েস্বার্থ ফুরালেই! ঠিকানা: কাচারীপাড়া পাবনা- ৬৬০০...

নারী দিবসের ছড়া: নারীর সম্মান 

ছড়া
বিজন বেপারী   জন্ম তোমার আরব নেপাল  এই পৃথিবীর মাঝে  দেখছো আলোক নয়নাভিরাম  কৃতিত্ব কার? মা যে। তুমি আর আমি মায়ের কোলে যে জন্ম থেকেই আছি দশ মাস দশ দিন, কত ব্যথা  মায়ের কৃপায় বাঁচি। তিনিই আসল বিধাতা তোমার  আল্লাহ ভগবান  তিনিই আবার নারী শক্তির দূর্গা মূর্তিমান। নারীদের তাই সম্মান দেই পথে ঘাটে হাটখোলা  নতুবা বেইমান তুমি যে রবে অসভ্য এক পোলা। বিজন বেপারী , ঝালকাঠি সদর, ঝালকাঠি ...

ফাগুন দিনে

ছড়া
আসাদুজ্জামান খান মুকুল  আসছে ফাগুন লাগছে আগুন  শিমুল পলাশ ডালে, সখী ছাড়া আমি সারা এমন ফাগুন কালে! ফুটিছে ফুল প্রকৃতি কুল লাল হয়েছে দূরে, কোকিল ডাকে বিটপশাখে কুহু কুহু সুরে। ফুটছে কলি উড়ছে অলি গুণগুণে গান করে, বিহার করে ফুলের পরে  দেখি নয়ন ভরে। দখিনা বায় উতলা হায় করছে পরানখানি, এমন ক্ষণে নাই যে সনে আমার মনের রানি। আমার প্রিয়া মনটি নিয়া কোথায় গেলি শেষে ? ভালোবাসা করো খাসা ফাগুন দিনে এসে! গ্রাম- সাভার  পোস্ট - হেমগঞ্জ বাজার  উপজেলা - নান্দাইল জেলা - ময়মনসিংহ ...

বাংলাদেশের রোজা

কবিতা
আব্দুস সাত্তার সুমন অন্য দেশের রমজান আসে ইবাদতের জন্য, বাংলাদেশে রমজান আসলে ব্যবসায়ীরা ধন্য। প্রথম দশদিন নিত্য পণ্যের ব্যবসায়ীদের হাতে, কাপড় ব্যবসাহী দ্বিতীয় দশক উসুল করবে তাতে। পরিবহন মালিকপক্ষ তৃতীয় দশক কেনা, দ্বিগুণ টাকায় টিকিট বেচে সিন্ডিকেটের সেনা। বাংলাদেশের রমজান আসে মজুদ করার জন্য, ডুপ্লিকেট আর কেমিক্যালে অস্বাস্থ্যকর পণ্য। সারা বছর লসের লাগাম ধরবে এই মাসে, বাংলাদেশের ব্যবসায়ীরা ছাড় দেয় না লাশে। ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট বাংলাদেশ...
দখলদার কুকুরের গল্প

দখলদার কুকুরের গল্প

কিশোর গল্প
কবির কাঞ্চন : ক'দিন ধরে বনের এককোণে বসে বসে কাঁদছে একটি বিড়াল। সময় যতই গড়াচ্ছে তার কান্নার আওয়াজ ততই বাড়ছে। বিড়ালটির এমন বিলাপ করে কান্না দেখে বনের পশুপাখিদের খুব মায়া হয়। তাদের মধ্য থেকে কেউ কেউ কাছে গিয়ে সান্ত্বনা দিতেও ভুল করে না। কিন্তু বিড়ালের সব ঘটনা জানার পর সবাই যার যার মতো করে আফসোস করে। বিড়ালের জন্য দোয়া করে। তারপর নিজেদের গন্তব্যে চলে যায়। আর বিড়ালটি সকাল দুপুর রাতে শুধু কান্না করে। কিছুদিন যেতে না যেতে বিড়ালটির কান্নার আওয়াজ আরও তীব্রতর হয়ে ওঠে। ইতোমধ্যে বিড়ালটির পাশে দুটি বাচ্চা বিড়াল এসে যোগ হয়। তারাও কান্না করতে থাকে। তাদের দু'জনের গা থেকে অনবরত রক্ত ঝরছে। একদিন সেপথ দিয়ে অন্য একটা বিড়াল যাচ্ছিল। সে পাশের বনে থাকে। এ বনে বেড়াতে এসেছে। স্বজাতিদের একজনের এমন দুরাবস্থা দেখে তার খুব মায়া হলো। সে বিড়াল ও বাচ্চা বিড়ালগুলোর পাশে বসে সমব্যথী হয়ে জিজ...
ছোটন ও কাক

ছোটন ও কাক

কিশোর গল্প
ইমরান চৌধুরী : ছোটন, ছোটন। কেউ যেন ডাকছে তাকে এই ভেবে পেছনে ফিরে তাকাল ছোটন। এদিক ওদিক তাকিয়ে দেখতে পেল তার পেছনে পেছনে একজন বয়স্ক লোক হেঁটে আসছে। লোকটাকে দেখে তাঁর মুখের দিকে তাকাল ছোটন। না, লোকটা চেনা জানা মনে হচ্ছে না। তবু সালাম দিয়ে জানতে চাইল, আপনি কি আমাকে ডাকছেন? লোকটা ছোটনের মুখের দিকে তাকিয়ে বলল, কই নাতো দাদু! বলে লোকটা হাঁটা শুরু করল। দাদু শব্দটা ছোটনের খুব প্রিয়। হয়তো বা উনি কারও দাদু হবেন। লোকটার সঙ্গে দু-চারটা কথা বলার খুব ইচ্ছে হচ্ছিল তার। কিন্তু সে সুযোগ হলো না। কী আর করা লোকটার পেছনে পেছনে ছোটনও শুরু করল হাঁটা। প্রতিদিন এ সময়ে ছোটন স্কুলে যায়। সে এখানকার নামকরা স্কুল ‘ওয়ান্ডার’ এর প্রভাতী শাখার ৪র্থ শ্রেণির ছাত্র। সকাল ৭-২৫ মিনিটে তাদের ক্লাস। সময়টা মাথায় রেখে সে হাঁটতে থাকে। কিছুটা পথ যাওয়ার পর আবার শুনতে পেল ‘ছোটন ছোটন’ ডাক। আবার পেছনে ফিরে তাকাল ছ...