Saturday, October 10
Shadow

Author: webgolpo2024

অপূর্ণ আলোর গল্প

অপূর্ণ আলোর গল্প

প্রেমের গল্প
আসাদুজ্জামান খান মুকুল প্রথমবার ওদের দেখা হয়েছিল এক সাধারণ বিকেলে। তখন তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন সেমিস্টারে পড়ছে। লাবনী জানালার পাশে বসেছিল। আলো পড়েছিল চুলে,সোনালি রোদে নরম কেশগুচ্ছ যেন ছোট ছোট আলোর রেখা। অয়ন একবার ঘুরে তাকাতেই চোখে চোখ পড়ে,লাবনী তখন লজ্জায় দৃষ্টি সরিয়ে নেয়। সেই নীরব দৃষ্টি হয়তো দু’জনের মনে কোথাও স্থান করে  নিয়েছিল। দিন গড়ায়। ক্লাস শেষে লাবনী লেকের ধারে হাঁটতে যেত। অয়ন নানান অজুহাতে ছূটে যেত পিছনে পিছনে। একদিন বৃষ্টিতে দু’জন গাছতলায় আশ্রয় নেয়। অয়ন নিজ থেকেই বলে উঠে -- “তুমি তো ভিজে গেছো।” লাবনী হেসে বলে --  “বৃষ্টি আমাকে ভালোবাসে, তাই ছাড়েনা।” এই কৌতুকপ্রদ কথাতেই দুজনের মাঝে হাসির স্রোত বয়ে যায়। সেই হাসির ভেতরেই যেন অনাগত বিচ্ছেদের বিরুদ্ধে প্রথম প্রতিবাদ জন্মেছিল। ধীরে ধীরে কথা বাড়ে। প্রথমে ক্লাসে, পরে ক্যান্টিনে। এভ...
বানানো রুশ জোকস

বানানো রুশ জোকস

রম্য রচনা
রাশিয়ার সঙ্গে রসের সম্পর্কটা দাম্পত্য। বুঝে শুনে হাসতে হয়। হাসতেই হবে। জোকস না বুঝলেও ঠোঁটের কোণে একটুখানি (মৃদু কোষ্ঠকাঠিন্য হলে যেমনটা হয়) হাসি আনা চাই। তো সেই রকম হাসিও যদি না হাসেন তবে বুঝতে হবে আপনার জন্য জোকস আসেনি, বা আপনি জোকসের জন্য আসেননি। সুতরাং প্রত্যেক রম্য রচয়িতাদের উচিৎ কৌতুকের বেলায় আড়ালে গিয়ে রুশ কৌতুকের ধরনকে অক্ষরে অক্ষরে অনুসরণ করা (পারলে অনুবাদ করে ছেড়ে দিন)। আর সেই সব রচয়িতার সুবিধার জন্য ভাবলাম একটা উদাহরণ সৃষ্টি করে গেলে কেমন হয়? মানে বাংলাদেশে বসেই একটা ‘রুশ কৌতুক’ লিখে ফেলা আর কি। উদাহরণ-১। নাম: তালগাছ। স্ত্রী: তালগাছটা আমার। স্বামী: তা তো বটে। তালগাছটা তোমার নানি আর মায়ের যেমন ছিল, সেই ধারাবাহিকতায় তোমারই আছে। স্ত্রী: এই সামান্য তালগাছের প্রসঙ্গে তুমি আমার মাকে টেনে আনলে কেন? যাও! তালগাছ আমার চাইনে! ওটা তোমারই থাক! স্বামী: ও আচ্ছা, ...
ধ্রুব নীলের রহস্যজট: পরিচয়

ধ্রুব নীলের রহস্যজট: পরিচয়

থ্রিলার গল্প
ধ্রুব নীল এটি জনপ্রিয় লেখক ধ্রুব নীলের লেখা একটি রহস্যজট ধাঁধা। দৈনিক কালের কণ্ঠের মগজ ধোলাই ম্যাগাজিনে নিয়মিত ধ্রুব নীলের রহস্যজট ছাপা হতো। প্রথমে একটি গল্প থাকবে, সেই গল্পের ভেতর থাকবে সূত্র। শেষে পাঠককেই সেই সূত্র বের করে সমাধান করতে হবে ধাঁধার। আপাতত গল্পের একদম শেষে দেওয়া আছে উত্তর। আগে চেষ্টা করুন। না পারলে স্ক্রল করুন। নিয়মিত ধ্রুব নীলের রহস্যজট ও গল্প পেতে ওয়েবগল্প সাইটটি সাবসক্রাইব করে রাখুন। দেয়ালে স্ট্যাচুর মতো ঝুলতে থাকা পেটমোটা টিকটিকিটা দেখে যুবকের মনে হলো তার নাম আরশাদ নয়, অন্য কিছু। কিন্তু আরশাদ নামটা মাথায় আসলো কেন বুঝতে পারছে না। ভোঁতা একটা ব্যথা মাথায় ছড়িয়ে আছে। সাদা বিছানায় সে একা। বিছানাটা এত সরু যে আর কারোর থাকাও সম্ভব না। বিছানা ছেড়ে উঠে বসতে গিয়ে বুঝতে পারলো এটা হাসপাতাল। তা না হলে শরীর এত দুর্বল লাগবে কেন? মুখভর্তি দাঁড়ি। এত বড় দাঁড়...
উপমা কোথা পাই!

উপমা কোথা পাই!

কবিতা
তুমি হাসবে, তুমি আসবে রলে এ যাত্রায় কতো না বর্ণিল সজ্জার বহর! বুঝতে পারলাম, পৃথিবীর ধূসর পথে যখন স্বর্ণালি সন্ধ্যে নামে, তখন জোনাকির মিটিমিটি আলো আঁধারির আড়ালে তোমার সচকিত হাসিমুখ। এর চেয়ে মনোরম তারুণ্যের উপমা কোথা পাই! স্নিগ্ধ অবকাশে হেমন্ত নেমে আসে আদিগন্ত পৃথিবীর প্রান্তরে। শিশিরের শব্দ যেন একরাশ নৈঃশব্দ! কর্মব্যস্ত শহর, নগর, ঘাট-বাট পেরিয়ে দূর দূরান্তে সুশান্ত গাঁয়ের বিস্তীর্ণ মাঠ। ফসলের সোনা রঙ। চোখ বুঁজে ভাবি, হয়তো এমনই এক হেমন্ত সন্ধ্যেয় তোমার আগমণ ঘটেছিল এই পৃথিবীর গর্বিত বুকে। শৈশব আসে, কৈশোর পেরোয়। সোনা রঙ, ধানক্ষেত, শিশিরার্দ্রতা, ধানের মলন, সোঁদা গন্ধ সব কিছুতেই তোমার দূরন্ত শৈশব আর কৈশোর ছাপিয়ে তারুণ্যের অনন্য ছাপ। তোমার অনবদ্য প্রেম, তোমার ভালোবাসার বিমুগ্ধ চেতনা, অনন্য মূল্যবোধ—যেন পরশ পাথর। ছুঁয়ে দিলেই আমি খাঁটি সোনা! কখনও মুচকি হেসে ছুঁয়ে দিও আমায়। আম...
ভ্যালেন্টাইন দিবস 

ভ্যালেন্টাইন দিবস 

কবিতা
জাহাঙ্গীর চৌধুরী  ভালোবাসার আছে কি শেষ?  ভালোবাসা হয় না নিঃশেষ।  ভালোবাসা হয় না বিশেষ,  ভালোবাসা হারায় না লেশ। বক্ষে নেই যার ভালোবাসা,  সে জগতে সর্বনাশা।  ভালোবাসা গড়ে আশা,  বাঁধে একটি সুখের বাসা।  ভ্যালেন্টাইন দিবস ভ্যালেন্টাইন দিবসের কবিতা ধ্রুব নীলের সব বই ধ্রুব নীলের পরাবাস্তব প্রেমের উপন্যাস কৃ পড়ুন ফ্রিতে...
জোনাকির  আলো

জোনাকির  আলো

কবিতা
শাহানাজ শিউলী  আঁধারের গাঢ়ছায়া  রাতের নিস্তব্ধতা ফুড়ে বের হয়ে আসে নিথর হয়ে  পড়ে রাতের সকল পক্ষকুল  ঘোর তমশা ভেদ করে জ্বলতে থাকে ক্ষীণ আলো  এই ক্ষীণ আলোয় পথ দেখানো যেন জোনাকিদের প্রতিশ্রুতি  নাই বা জ্যোতিপূর্ণ চন্দ্রের ব্রত এই ক্ষীণ আলোই আঁধারের মাঝে সাহসের যাত্রা  এক নিকষ কালো অন্ধকার জয়ের রথ। হয়তো অন্ধকার থেকে  আলোয় আসার নিঃশব্দ রাতের প্রহরী  তাদের এই ক্ষীণ আলোয় লেখা থাকে সহস্র নিঃশব্দের সাহসের গল্প  যেখানে সূর্য হার মানে ক্লান্তিতে  সেখানেই জোনাকি জ্বালে আলো।  এই জোনাকির আলো টুকুই আঁধারের পথ দেখার শেষ আশ্রয়।  শাহানাজ শিউলী  আড়পাড়া, কালীগঞ্জ, ঝিনাইদহ ...

গদ্য কবিতা : আশার আলো

কবিতা
আসাদুজ্জামান খান মুকুল  নব বিকেলের আলো ধীরে ধীরে ছড়িয়ে পড়ে, বয়সী চোখে সময় খেলতে থাকে- মনের ভেতরে জন্ম নেয় প্রেরণা, মৃদু হাওয়ায় ভেসে আসে না-বলা কথার সুর। পায়ে পায়ে হেঁটে চলার কোনো শেষ নেই, ভালোবাসায় ভরে ওঠে একটি জীবন। চোখের সামনে ভেসে ওঠে নতুন দিনের স্বপ্ন, প্রতিদিনের ছোট ছোট সুখে ছড়ায় পরিচিত গন্ধ। মরুপ্রান্তরের একেবারে কিনারায় দাঁড়িয়ে খুঁজে পাই নীরব সংলাপের ভাষা- ঘাসের ফাঁকে ফাঁকে যেন দেবতা মেলে ধরেন ভালোবাসার সাদামাটা রুমাল। আলো আর আঁধার পাশাপাশি বসে, লেখা হয় একটি কবিতা। নশ্বর এই দেহের ভেতরেই ধরে রাখি জীবন! সাধারণ, তবু আশ্চর্যরকম সুখের। গ্রাম - সাভার  পোস্ট - হেমগঞ্জ বাজার  উপজেলা - নান্দাইল  জেলা - ময়মনসিংহ ...
ছোটদের মজার গল্প : আমার আবার কিছু মনে থাকে না

ছোটদের মজার গল্প : আমার আবার কিছু মনে থাকে না

কিশোর গল্প
কিশোরদের জন্য লেখা ধ্রুব নীলের ছোটদের মজার গল্প প্রথম প্রকাশ হয় কালের কণ্ঠ পত্রিকার শিশুদের পাতা টুনটুন টিনটিন-এ। বণিকবাবু মাস্টারি থেকে অবসর নিয়েছেন বছর দুই হলো। এরপরও ভুল করে মাঝেসাঝে আনন্দপুর পাইলট হাইস্কুলে ঢুকে পড়েন ক্লাস নিতে। অন্য শিক্ষকরা ব্যাপারটা হালকাভাবে নিয়েছেন। ছাত্ররাও তার ক্লাস মনযোগ দিয়ে করে। ক্লাসের ফাঁকে যখন বণিক বিশ্বাসের মনে পড়ে ঘটনা, তখন চুপ হয়ে যান। কাষ্ঠ হাসি টেনে বলেন, তোরা কিছু মনে করিস না, আমার আবার কিছু মনে থাকে না।আজ সকালে বাজারের ব্যাগ হাতে বের হয়েছিলেন। তার মনে হলো একটা বড় দেখে মিষ্টি কুমড়া কেনা দরকার। বাজার ভুলে চলে এলেন স্কুলে। বন্ধ ফটক দেখেই জিব কেটে বললেন, আজ তো সরকারি ছুটি!স্কুল থেকে বের হয়ে বণিক বাবু গেলেন মিতালী স্টোরে। এখানে ঢুকলেই তার বড় মেয়ে নীলিমার কথা মনে পড়ে। নীলিমা ছোট থাকতে তাকে নিয়ে এই দোকানে এসে খেলনা টেলনা কিনতেন। নীলিমার বিয়ে হয়েছ...
চাঁদ গেল কই!

চাঁদ গেল কই!

কিশোর গল্প
শিশুদের জন্য ছন্দে ছন্দে লেখা মজার গল্প। লেখক: ধ্রুব নীল মহাবিজ্ঞানী কর্কট চৌধুরীর মাথায় নেই একটা চুলও। রাগে নিজের চুল ছিঁড়তে না পারায় ছিঁড়ছেন বালিশের তুলো। তার অ্যাসিস্ট্যান্ট গবুচন্দ্রের মাথাভর্তি কোঁকড়া চুল। সে একটু দূরে দাঁড়িয়ে আছে। বিজ্ঞানী যদি আবার তার চুলে টান দেন ভুল করে। ‘স্যার, বিপদের কথা শুনেছেন নিশ্চয়ই। আপনি ছাড়া…।’‘একদম চুপ! তোমার কি ধারণা আমি একটা ভেড়া?’‘না স্যার, বলছিলাম, সামনে ঈদ। এমন সময় চাঁদ না দেখা গেলে কেউ মানবে না আপনি মহাকাশবিদ।’‘বটে! বটে! নাসার চোখ কি কপালে ছিল রাখা? চাঁদের কি গজিয়েছে পাখা? দুম হয়ে গায়েব হয়ে গেলো? গবুচন্দ্র, তোমাকেই বলছি! হ্যালো!’‘অ্যাঁ, স্যার! আমি কী করে বলি। আমি না হয় চলি। আপনিই কথা বলুন বিজ্ঞান কাউন্সিলের সঙ্গে।’গতকাল থেকে চাঁদের দেখা নেই। নেই মানে গায়েব। টেলিস্কোপে আঁতিপাতি করে খুঁজেও মিলছে না দেখা। পত্র-পত্রিকায় হচ্ছে বিস্তর লেখা। আস্...
জানতে হবে, চিনতে হবে

জানতে হবে, চিনতে হবে

সামাজিক গল্প
শাকিলা নাছরিন পাপিয়া দুই তিন এলাকা নিয়ে চরম উত্তেজনা।আজ বিচার হবে কাউন্সিলরের অফিসে।বিচার দেখতে সব ধরণের মানুষ এসেছে। এত বড় অন্যায় করার সাহস  যে দেখিয়েছে তাকে এক নজর দেখার জন্য মানুষের ঢল নেমেছে।কী হবে আজ? নানা জনের নানা মত।কেউ বলছে, ঠিক করেছে।কেউ বলছে, কি মনে করো ওকে ছেড়ে দেবে? কোনদিন না।কেউ বলছে, ওর পরিবার কেন শিক্ষা দিল না কার সাথে কেমন ব্যবহার করতে হবে? কারো মধ্যে উৎসব উৎসব ভাব।কিছু একটা ঘটবে।বিচারে ছেলেটি যা বলুক না কেন তার অপরাধ ক্ষমার অযোগ্য।নেতার পিএস এর বাড়ির কাজের বুয়ার ভাতিজা।সে না হয় একটু মারতেই পারে। তাই বলে পুলিশ ডেকে আনতে হবে?পুলিশ কিছু না বুঝে এসে পড়েছে। অবশ্য এ জন্য বারবার নেতার কাছে দুঃখ প্রকাশ করেছে।ছেলেটিকে প্রশ্ন করা হলো, পুলিশের কাছে কেন গেলে? কিছু হলেই পুলিশের কাছে যেতে হবে? ছেলেটি পুলিশের দিকে তাকায়। যিনি আহত ছেলেটিকে বলেছিল, এভাবে মেরেছ...