রাশিয়ার সঙ্গে রসের সম্পর্কটা দাম্পত্য। বুঝে শুনে হাসতে হয়। হাসতেই হবে। জোকস না বুঝলেও ঠোঁটের কোণে একটুখানি (মৃদু কোষ্ঠকাঠিন্য হলে যেমনটা হয়) হাসি আনা চাই। তো সেই রকম হাসিও যদি না হাসেন তবে বুঝতে হবে আপনার জন্য জোকস আসেনি, বা আপনি জোকসের জন্য আসেননি। সুতরাং প্রত্যেক রম্য রচয়িতাদের উচিৎ কৌতুকের বেলায় আড়ালে গিয়ে রুশ কৌতুকের ধরনকে অক্ষরে অক্ষরে অনুসরণ করা (পারলে অনুবাদ করে ছেড়ে দিন)। আর সেই সব রচয়িতার সুবিধার জন্য ভাবলাম একটা উদাহরণ সৃষ্টি করে গেলে কেমন হয়? মানে বাংলাদেশে বসেই একটা ‘রুশ কৌতুক’ লিখে ফেলা আর কি।

উদাহরণ-১। নাম: তালগাছ।
স্ত্রী: তালগাছটা আমার।
স্বামী: তা তো বটে। তালগাছটা তোমার নানি আর মায়ের যেমন ছিল, সেই ধারাবাহিকতায় তোমারই আছে।
স্ত্রী: এই সামান্য তালগাছের প্রসঙ্গে তুমি আমার মাকে টেনে আনলে কেন? যাও! তালগাছ আমার চাইনে! ওটা তোমারই থাক!
স্বামী: ও আচ্ছা, দুঃখিত।
খানিক পর।
স্ত্রী: এত দুঃখ পেতে হবে না! তাল ধরলে একটা দেব।
