সৈয়দুল মোস্তফা
আজ সন্ধ্যার আকাশে ভীষণ মেঘ জমেছে । তার সাথে মৃদু বাতাসের আভা ছড়িয়েছে চারদিক । চাঁদ তখন আড়ালে এসে হালকা আকাশ ছুঁয়ে আবার মেঘের আড়ালে লুকিয়ে যাচ্ছে । এ এক অপূর্ব শ্রী বৃদ্ধি করেছে আজ । উঠনে চারদিক তখন কমলা ফুলের ঘ্রাণে মৌ মৌ করছে । কী
চমৎকার দিন আজ ! এই দিনের অপেক্ষায় কত জনের রাতের ঘুম কেড়ে নিয়েছে এই আকাশপুরী তা নিছক আড়াল রয়েছে । অন্তত আমার ঘুম আজ কেড়ে নিয়েছে তা ধ্রুব সত্য । আজ মনে হচ্ছে আপনার ভালোবাসায় মানে নিজের ভালোবাসা নিজে আয়ত্ত করতে পারলে একাকিত্বের ছায়া আমাদের মত বাসুক মনাদের অন্যের কাছে ভালোবাসাটা খোঁজা অনাবশ্যক । তা বলার একটায়
কারণ । আমি নিজে তা ভুগেছি । কারণ, আমি তখন জানতাম না ভালোবাসা মানে কি ? …… !
তারপর আস্তে আস্তে বুঝেছি ভালোবাসা মানে হলো শ্রদ্ধা,বিসর্জন ও পাশে থাকা । তাই আজ প্রথম সেই প্রেমিকার কথা বড্ড মনে পড়ছে । যেদিন প্রথম এক হাস্যোজ্জ্বল চঞ্চল বালিকার কাছে নিজের মনোবাসনা নিবেদন করেছি এবং সে শুনেছে হয়তো আমার বিশ্বাসের বাণী
। না শুনিলেও দুঃখ নাই । যায় হোক , অন্তত মানুষের মত কটুকথা, ছলনা এবং রূপ-লালসা সে করবে না তা আমি অন্তত দৃঢ় চিত্তে বিশ্বাস করেছি এবং সে তা বজায় রাখবে এইটুকুই ভালোবাসার জন্য যথেষ্ট ছিল । আমি আজ তা ভাবতে ভাবতে যখন গভীর চিন্তায় নিমর্জিত ।
ঠিক সে চরিত্রের মূল হোত্রী এসে উপস্থিত হয়েছেন । যার মাধ্যমে আমার কাছে ভালোবাসা মানে এই বিবরণ দারিয়েছে আজ । নাম তার সুহাসিনী । সুহাসিনী তার প্রকৃত নাম না আমার দেওয়া ছদ্ম নাম । আমি তাকে কিভাবে কখন ভালোবেসে ফেলেছি তা বলা নিয়তি দেবতার জন্যও
হয়তো দূরসাধ্য ব্যাপার । তবুও , আমি তা সাধন করেছি । তাকে ভালো লাগার একটায় কারণ, তার চালচলন এবং নিপুণতায় মুগ্ধ হওয়া । তাই, একদিন চক্ষু লজ্জার শত বাঁধা উপেক্ষা করে বলে বসেছি , সুহাসিনী ! আমি তোমায় ভালোবাসি । সে তখন এক লহমায় কি বুঝে আড়ালে চলেগেল আজো আসলো না । তা এখনো সত্য স্বপ্নের কাল্পনিক হয়ে দারিয়েছে দিব্যি । তবে , তার ব্যাখ্যা পরে পেয়েছি । বন্ধুদের মাধ্যমে জানিয়েছে যে, তার সাথে যেন আর দ্বিতীয়বার কোন ধরণের যোগাযোগ অথবা অনুরোধ না জানানো হয় । আমি সেদিন হতভম্ব হয়ে
দারিয়েছিলাম রৌদেলা এক গোমট দুপুরে । চোখে তখন একরাশ না পাওয়ার বেদনা আর প্রথম ভালোবাসা না পাওয়ার আকুতিতে যে টান অনুভূতি হয়েছিল তা আজো বড্ড কষ্ট দেয় । কারণ একটাই ! যে যুদ্ধে সৈনিক ছাড়া জয়ীত হতে হয় তার কিসের বীরত্ব ! আমি সেদিন হারে হারে
বুঝেছি এই, কখনো কখনো ভালোবাসার নিবেদন সবার কাছে গ্রহণীয় নাও হতে পারে । তার জন্য মানসিক প্রস্তুতি আবশ্যক । না, হলে নিজের ভালোবাসার অমরকৃত শুধুই ক্ষনিকের মর্মেরবাণীর বাঁশি বাজিয়ে ক্রান্ত হবে । এই আমার বিশ্বাস । সত্যি আজো ভুলতে পারি
নাই তাকে । সে আমার জীবনে বিনি সুতোর মত যৃকতে আষ্টেপৃষ্ঠে জড়িয়ে এমন ভাবে টানছে যা দিন,মাস ও বছর পেরিয়ে বেরুতে পারি কি না সন্দেহ রয়ে যায় ।
পটিয়া, চট্টগ্রাম, বাংলাদেশ