আলমগীর কবির
আকাশ পাখি ভালোবাসে।পাখিদের জন্য ওর মনে অনেক মায়া।ওদের বাসায় অনেক পোষা কবুতর আছে।
আকাশ একটু অবসর পেলেই ছুটে যায় কবুতরগুলোর কাছে। খাবার দেয়। জল দেয়। গল্প করে সময় কাটায় তাদের সাথে।
কবুতরগুলোও কত সুন্দর। মায়াবী! কিন্তুু কেন এতো ভালোবাসে
সে পাখিদের?
তার গল্প আছে একটা।
তখন সে ক্লাস ফোরে পড়ত।বাবাকে বলে দুইটি ঘুঘু পাখি কিনে নিয়েছিল পোষার জন্য। অনেক যত্ন করত সে পাখি দুটির।তবু একটি পাখি এক ঝড়ের রাতে মারা যায়। আকাশের মনে অপরাধ বোধ কাজ করে তারপর থেকে।
অন্য পাখিটিকে সে সেদিনেই মুক্ত করে দিয়েছিল।
সেই থেকে পাখিদের প্রতি তার বড় বেশি মায়া।
আকাশ তাদের উঠোনে বসে আছে।
উঠোনের পাশে সারি সারি খেজুরের গাছ।খেজুরের রস খেতে বুলবুলি, শালিক পাখিরা ছুটোছুটি করছে। একটু দূরে নারকেল গাছে কাকদের আনাগোনা।
আকাশ মায়ের কাছ থেকে চাল নিয়ে আসে।পাখিদের খাবারের জন্য উঠোনের এক কোণে ছিটিয়ে দেয়।
একটু দূরে সরে যেতেই পাখিরা নেমে আসে উঠোনে। তারপর এদিক ওদিক চেয়ে লেজ নাচিয়ে খেতে থাকে খাবার।
এই দৃশ্য দেখে আকাশের মনে অন্যরকম ভালো লাগা কাজ করে।
এই আনন্দটুকু পাবার জন্যই সে পাখিদের যত্ন করে। ভালোবাসে।
পাখি শিকারীদের পাখি শিকার করতে সবসময় নিষেধ করে সে।
এমনিই জনসংখ্যা বাড়ছে।গাছপালার সংখ্যা কমে যাচ্ছে।পাখির সংখ্যাও কমে যাচ্ছে। জলবায়ুর বিরূপ প্রভাবে হয়তো বা।
বড় হয়ে সে এই বিষয়ে আরো পড়াশোনা করতে চায়।
আকাশ চায়,আকাশের পাখিরা ভালো থাকুক।
—
আলমগীর কবির
শিকদার মার্কেট, মণিপুর,
ডাকঘর -মির্জাপুর,
গাজীপুর সদর, গাজীপুর।